
২০ এপ্রিল জয়পুরে অনুষ্ঠিত এডিনবক্স রিজিওনাল হায়ার এডুকেশন সামিট ২০২৬-এর একটি প্যানেল আলোচনায় বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে, গত দশকে দেশে এবং বিশ্বে সৃজনশীল পেশাগুলো দ্রুত মূলধারার কর্মজীবন হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
প্যানেলিস্টরা উল্লেখ করেছেন যে, অর্থনৈতিক পরিবর্তন, ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং সাংস্কৃতিক উন্মুক্ততা তরুণদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। যেখানে সৃজনশীলতাকে একসময় একটি “পার্শ্ব পেশা” হিসেবে বিবেচনা করা হতো, সেখানে আজ বিজ্ঞাপন, কনটেন্ট তৈরি, ডিজাইন, গেমিং, অ্যানিমেশন এবং সঙ্গীতের মতো ক্ষেত্রগুলো কর্মসংস্থানের প্রধান বিকল্প হয়ে উঠেছে।
আলোচনায় এই প্রশ্নটিও উত্থাপিত হয়: আমরা কি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে সত্যিই সৃজনশীলতার জোয়ার দেখছি, নাকি কেবল অ্যালগরিদমকে খুশি করে এমন কনটেন্ট? বিশেষজ্ঞরা স্বীকার করেছেন যে, প্ল্যাটফর্ম-চালিত পরিবেশে সৃজনশীলতার প্রকৃত মূল্য কখনও কখনও চাপা পড়ে যায়, কিন্তু প্রতিভা এবং মৌলিকত্বের চাহিদা সবসময়ই থাকবে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা প্রসঙ্গে প্যানেলিস্টরা বলেন যে, স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সৃজনশীল চিন্তাভাবনাকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি শৃঙ্খলা এবং একটি কঠোর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।
তরুণ সৃজনশীল পেশাজীবীদের সামনে থাকা চ্যালেঞ্জ—অর্থাৎ শৈল্পিক এবং বাণিজ্যিক প্রত্যাশার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা—নিয়েও আলোচনা করা হয়। বিশেষজ্ঞরা শিক্ষার্থীদের আন্তঃশাস্ত্রীয় দক্ষতা বিকাশের পরামর্শ দিয়েছেন, কারণ ভবিষ্যতে সাফল্য কেবল প্রতিভার মাধ্যমেই আসবে না, বরং একাধিক ক্ষেত্রের সমন্বিত জ্ঞানের মাধ্যমেই আসবে।




Add comment