
বিহার শিক্ষক নিয়োগ: বিহারে সরকারি স্কুলের শিক্ষক হওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন এমন প্রার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ খবর রয়েছে। রাজ্য শিক্ষা বিভাগ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত আর কোনো পৃথক বিহার শিক্ষক যোগ্যতা পরীক্ষা (TET) অনুষ্ঠিত হবে না। এখন থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় শিক্ষক যোগ্যতা পরীক্ষা (CTET) পাশ করা বাধ্যতামূলক হবে। এর অর্থ হলো, কোনো রাজ্য-স্তরের TET পরীক্ষা হবে না।
রাজ্য-স্তরের টেট (TET) পরীক্ষা কেন বন্ধ করা হয়েছিল?
শিক্ষা বিভাগ জানিয়েছে যে, সিটেট (CTET) পরীক্ষা কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক প্রতি বছর নিয়মিতভাবে পরিচালিত হয়। বিপুল সংখ্যক প্রার্থী এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। বিভাগটি মনে করে যে, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সিটেট-উত্তীর্ণ প্রার্থীর সংখ্যা যথেষ্ট।
প্রায় তিন বছর আগে, বিভাগটি এও জানিয়েছিল যে আপাতত টেট (TET) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। সেই সময় ভবিষ্যতে পরীক্ষাটি আয়োজনের সম্ভাবনা উত্থাপন করা হয়েছিল, কিন্তু এখন স্পষ্ট করা হয়েছে যে একটি পৃথক বিহার টেট (Behar TET) পরীক্ষার প্রয়োজন নেই।
বিহারে টেট (TET)-এর ইতিহাস কী?
প্রকৃতপক্ষে, বিহারে এ পর্যন্ত টেট (TET) পরীক্ষা মাত্র দুইবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই পরীক্ষাটি বিহার স্কুল পরীক্ষা বোর্ড (BSEB)-এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছিল। প্রথমবার ২০১১ সালে এবং দ্বিতীয়বার ২০১৭ সালে। এই পরীক্ষার দুটি স্তর ছিল: প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক স্তর এবং ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উচ্চ প্রাথমিক স্তর। উভয় স্তরেই শিক্ষকদের যোগ্যতা যাচাই করা হয়েছিল।
প্রার্থীদের উপর এর প্রভাব কী হবে?
এই সিদ্ধান্তটি সেইসব প্রার্থীদের সরাসরি প্রভাবিত করবে যারা বিহার টেট (Bihar TET)-এর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এখন তাদের প্রস্তুতির দিক পরিবর্তন করে সিটেট (CTET) পরীক্ষার উপর মনোযোগ দিতে হবে। শুধুমাত্র সেইসব প্রার্থীরাই আসন্ন শিক্ষক নিয়োগের জন্য আবেদন করার যোগ্য হবেন, যারা সিটেট পেপার ১ (প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি) অথবা পেপার ২ (ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি) পাস করেছেন। সরকার মনে করে যে এই সিদ্ধান্তটি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় একরূপতা আনবে এবং বারবার আলাদা পরীক্ষা নেওয়ার বোঝা কমাবে।
এরপর প্রার্থীদের কী করা উচিত?
যেসব ছাত্রছাত্রী শিক্ষক হতে আগ্রহী, তাদের এখন সিটেট (CTET)-এর প্রস্তুতির উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত। বিহারের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হওয়ার জন্য সিটেট (CTET) পাস করাই এখন প্রধান পথ। এই সিদ্ধান্তটি স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে ভবিষ্যতে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণরূপে সিটেট (CTET)-এর উপর ভিত্তি করে হবে।
দাবিত্যাগ: এই বিষয়বস্তুটি নিউজ১৮ হিন্দি (News18 Hindi) থেকে সংগৃহীত এবং সম্পাদিত। যদিও আমরা স্পষ্টতা এবং উপস্থাপনার জন্য পরিবর্তন করেছি, মূল বিষয়বস্তুটি তার নিজ নিজ লেখক এবং ওয়েবসাইটের। আমরা এই বিষয়বস্তুর মালিকানা দাবি করি না।




Add comment