Edinbox Bengali

সাংবাদিকতার পাঠ্যক্রমে মাঠ পর্যবেক্ষণের দক্ষতা অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন: অবধেশ আকোদিয়া

রামনাথ গোয়েঙ্কা পুরস্কারে ভূষিত সাংবাদিক অবধেশ আকোদিয়ার সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাৎকার

 

সাংবাদিক অবধেশ আকোদিয়া, যিনি এই বছর ভারতীয় সাংবাদিকতার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা রামনাথ গোয়েঙ্কা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন, তিনি হিন্দি গণমাধ্যম জগতে একটি সুপরিচিত নাম। তাঁর যুগান্তকারী প্রতিবেদন, সংবেদনশীল বিষয়ে গভীর অন্তর্দৃষ্টি এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার জন্য স্বীকৃত অবধেশ আকোদিয়া তাঁর কাজের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে প্রমাণ করেছেন যে সংবাদ কেবল তথ্যই নয়, বরং সমাজকে পথ দেখানোর একটি মাধ্যমও বটে।

 

বর্তমানে দেশের শীর্ষস্থানীয় হিন্দি সংবাদপত্র ‘দৈনিক ভাস্কর’-এর সঙ্গে যুক্ত অবধেশ আকোদিয়া তাঁর কর্মজীবনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনের মাধ্যমে জনস্বার্থের বিষয়গুলো জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন। তাঁর সাংবাদিকতায় তাঁর সততা, ঝুঁকি নেওয়ার সাহস এবং সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বরকে একটি মঞ্চ দেওয়ার প্রতি অঙ্গীকার স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।

 

এই বিশেষ সাক্ষাৎকারে আমরা তাঁর সাংবাদিকতার যাত্রা, এই সম্মান অর্জনের অভিজ্ঞতা, রিপোর্টিং করার সময় তিনি যে সমস্ত বাধার সম্মুখীন হয়েছিলেন এবং বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের পরিবর্তিত ভূমিকা সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে জানব। এডইনবক্সের জন্য অবধেশ আকোদিয়া এবং রইস আহমেদ ‘লালি’-র মধ্যে হওয়া একটি দীর্ঘ কথোপকথন থেকে সম্পাদিত কিছু অংশ নিচে দেওয়া হলো:

 

১. প্রথমেই, এই বছর রামনাথ গোয়েঙ্কা পুরস্কার পেয়ে আপনার কেমন লেগেছে?

এই সম্মান পাওয়া প্রত্যেক ভারতীয় সাংবাদিকের স্বপ্ন। আমি অপরিসীম গর্ব এবং বিনয় অনুভব করছি। এই পুরস্কারটি শুধু আমার কাজেরই প্রমাণ নয়, বরং আমার রিপোর্টিংয়ের মাধ্যমে উন্মোচিত হওয়া পুরো ব্যবস্থাটিকে প্রশ্ন করার এক বিজয়। এটি আমাকে উপলব্ধি করার সাহস জোগায় যে প্রকৃত সাংবাদিকতার মূল্য এখনও সর্বোচ্চ।

 

২. এই পুরস্কারের জন্য আপনার গল্প/প্রতিবেদনটি নির্বাচিত হতে কী অনুপ্রাণিত করেছিল?

যখন জয়পুরে একটি জাল অনাপত্তিপত্র (NOC) ব্যবহার করে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে, তখন আমি বুঝতে পারি যে এটি কেবল কয়েকজন ডাক্তারের ষড়যন্ত্র হতে পারে না। একজন রোগী ৩৫ লক্ষ রুপি দিচ্ছিল, অথচ যে দরিদ্র দাতা নিজের জীবন বিপন্ন করে অঙ্গদান করেছিলেন, তিনি পাচ্ছিলেন মাত্র ৩ লক্ষ রুপি। দরিদ্রদের এই অসহায়ত্বের সুযোগ নেওয়া আন্তর্জাতিক কিডনি মাফিয়াদের কার্যকলাপই আমাকে এই চক্রের মূলে পৌঁছানোর জন্য সবচেয়ে বড় প্রেরণা জুগিয়েছিল।

 

৩. প্রতিবেদনটি তৈরির সময় আপনি কী কী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছিলেন এবং কীভাবে সেগুলো কাটিয়ে উঠেছিলেন?

বাংলাদেশের ঢাকায় গিয়ে একটি গোপন অভিযান পরিচালনা করাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ভাষার প্রতিবন্ধকতা, সরু রাস্তায় দাতা খুঁজে বের করা এবং ধরা পড়ার ঝুঁকি ছিল প্রচণ্ড। এক পর্যায়ে, একজন গ্রহীতার আত্মীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে আমাকে কঠোরভাবে জিজ্ঞাসাবাদও করেছিলেন। কিন্তু নির্ভরযোগ্য নথিপত্র, পুঙ্খানুপুঙ্খ প্রস্তুতি এবং একজন স্থানীয় চালকের সাহায্যে আমি সফলভাবে অভিযানটি সম্পন্ন করি।

 

৪. আপনি কি মনে করেন যে মাঠপর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনগুলো এখনও পর্যাপ্ত জায়গা পায়?

অবশ্যই। আপনার প্রতিবেদন যদি আকর্ষণীয় হয় এবং জনসাধারণের মন ছুঁয়ে যায়, তবে জায়গা সবসময়ই থাকবে। দৈনিক ভাস্করের মতো সংস্থাগুলো এখনও প্রথম পাতায় দীর্ঘ এবং ঝুঁকিপূর্ণ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনগুলোকে পূর্ণ গুরুত্ব দেয়। পাঠকরা এখনও আসল ‘খবর’ পড়তে চান।

 

৫. আজকের ডিজিটাল সাংবাদিকতা প্রচলিত সাংবাদিকতা থেকে কীভাবে আলাদা?

ডিজিটাল সাংবাদিকতার মূল বৈশিষ্ট্য হলো তাৎক্ষণিকতা; তথ্য কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই পৌঁছে যায়। কিন্তু প্রচলিত সাংবাদিকতা গভীরতা, ধারাবাহিকতা এবং অকাট্য প্রমাণের ওপর নির্ভর করে। ডিজিটাল আপনাকে বলে ‘কী ঘটেছে’, আর প্রচলিত সাংবাদিকতা ব্যাখ্যা করে ‘কেন এবং কীভাবে’।

 

৬. তরুণ সাংবাদিকদের জন্য কোন দক্ষতাগুলোকে আপনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন?

কৌতূহল, ধৈর্য এবং নথি পড়ার ক্ষমতা। শুধু বিবৃতির ওপর ভিত্তি করে প্রতিবেদন তৈরি করবেন না; আরটিআই (RTI) ফাইল করতে শিখুন এবং সত্য উদঘাটনের জন্য সরকারি নথিপত্র গভীরভাবে খতিয়ে দেখুন।

 

৭. সামাজিক মাধ্যম কি সাংবাদিকতায় তথ্যের মানের ওপর প্রভাব ফেলেছে?

হ্যাঁ, ফেলেছে। এটি বিভিন্ন কণ্ঠস্বরকে গণতান্ত্রিক করেছে এবং কখনও কখনও গুরুত্বপূর্ণ সূত্রও জুগিয়েছে। কিন্তু অন্যদিকে, এটি গুজব এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্যের বন্যাও সৃষ্টি করেছে, যা সাংবাদিকের কাজকে (তথ্য যাচাই) আরও কঠিন করে তুলেছে।

 

৮. ‘দ্রুততা বনাম নির্ভুলতা’-র দ্বন্দ্বকে আপনি কীভাবে দেখেন?

আমি সবসময় নির্ভুলতাকেই বেছে নেব। দ্রুত একটি মিথ্যা খবর প্রকাশ করে বিশ্বাসযোগ্যতা হারানোর চেয়ে, সামান্য দেরিতে হলেও শতভাগ সত্য একটি খবর পাওয়া ভালো। নথি-ভিত্তিক তদন্তে তাড়াহুড়োর কোনো সুযোগ নেই।

 

৯. যখন আপনি কোনো সংবেদনশীল বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রতিবেদন করতে যান, তখন কীভাবে প্রস্তুতি নেন?

প্রস্তুতিই সবকিছু। মাঠে যাওয়ার আগে, আমি কয়েক মাস ধরে কাগজপত্র খুঁটিয়ে দেখি—কোম্পানির রেকর্ড, সরকারি টেন্ডার এবং অডিট রিপোর্ট পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করি। ছদ্মবেশে যাওয়ার জন্য, আমি আমার ডামি প্রোফাইলের প্রতিটি খুঁটিনাটি প্রস্তুত করি যাতে মাঠে কোনো ভুল না হয়।

 

১০. মাঠ পর্যায়ে প্রতিবেদন করার সময় আপনার সবচেয়ে স্মরণীয় অভিজ্ঞতা কোনটি ছিল?

সবচেয়ে স্মরণীয় ছিল আরজিএইচএস (RGHS) কেলেঙ্কারি ফাঁস করা। আমি একজন ডামি রোগী সেজে বুকে ব্যথার মিথ্যা অভিযোগ করেছিলাম। সমস্ত পরীক্ষা স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও, আমাকে সাত দিনের জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল এবং জাল বিল তৈরি করা হয়েছিল। কোনো অসুস্থতা ছাড়াই আমাকে অতিরিক্ত ওষুধ দেওয়া হয়েছিল, যার ফলে আমি শৌচাগারে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাই। এটি একটি জীবন-মরণ ঝুঁকি ছিল, কিন্তু এই তথ্য ফাঁসের ফলেই ৬৫০০ কোটি টাকার একটি কেলেঙ্কারি উদ্ঘাটিত হয়েছিল।

 

১১. মাঠ পর্যায়ে প্রতিবেদন করার সময় আপনি কীভাবে নিরাপত্তা এবং মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখেন?

এই ধরনের কঠিন এবং ঝুঁকিপূর্ণ প্রকল্পের মাঝে, আমি নিজেকে শান্ত রাখার জন্য সাহিত্যের সাহায্য নিই। বশির বদর এবং আল্লামা ইকবালের কবিতা আমাকে মনের শান্তি ও শক্তি জোগায়। তাছাড়া, পেশাগতভাবে কাজ করা এবং আবেগপ্রবণ না হওয়াই নিরাপত্তার সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি।

 

১২. একটি গল্পকে মানবিক রূপ দিতে আপনি কোন বিষয়টির প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেন?

 

আমি সবসময় দেখি কীভাবে একটি বড় কেলেঙ্কারি বা নীতিগত ব্যর্থতা একেবারে শেষ প্রান্ত পর্যন্ত সরাসরি প্রভাব ফেলে। যখন ব্যবস্থার ত্রুটিগুলো একজন ভুক্তভোগীর (তিনি একজন শোষিত দাতাই হোন বা একজন দুর্দশাগ্রস্ত সাধারণ মানুষ) মুখ ও যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে ফুটে ওঠে, তখনই সংবাদটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

 

১৩. আজকাল গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ বাড়ছে। নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে আপনি কী করেন?

আমি ‘প্রামাণ্য দলিলের’ ওপর নির্ভর করি। বিবৃতি এবং মতাদর্শ পক্ষপাতদুষ্ট হতে পারে, কিন্তু আরটিআই-এর মাধ্যমে প্রাপ্ত সরকারি তথ্য, ব্যাংকের রেকর্ড এবং গোপন ক্যামেরার ফুটেজ কখনও মিথ্যা বলে না।

 

১৪. ভুয়া খবর এবং ভুল তথ্যের এই যুগে সাংবাদিকরা কীভাবে যাচাইকরণকে শক্তিশালী করতে পারেন?

সাংবাদিকদের সবসময় মূল উৎসে যাওয়া উচিত। শোনা কথায় বিশ্বাস করবেন না। প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ব্যবহার করুন, তথ্য যাচাই করুন, এবং দুটি স্বাধীন সূত্র দ্বারা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সংবাদ প্রকাশ করবেন না।

 

১৫. আপনি কি মনে করেন মিডিয়া হাউসগুলোর ওপর ক্রমবর্ধমান কর্পোরেট চাপ স্বাধীন সাংবাদিকতাকে প্রভাবিত করে?

প্রতিবন্ধকতা সবসময়ই ছিল, কিন্তু যদি একজন সাংবাদিকের কাছে অকাট্য প্রমাণ থাকে এবং প্রতিষ্ঠানের সম্পাদকীয় নেতৃত্ব শক্তিশালী হয়, তাহলে ভালো খবর আসা কখনও থামে না। আমি কর্পোরেট এবং বড় রাজনৈতিক আঁতাতের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন করেছি, এবং ভাস্কর সবসময় আমার কাজকে সমর্থন করেছে।

 

১৬. আজকের নিউজরুমে ডেটা জার্নালিজমের ভূমিকা আপনি কী বলে মনে করেন?

এটি আজকের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মেরুদণ্ড। দুর্নীতি এখন আর খামের মধ্যে ঘটে না, বরং টেন্ডার, অনুদান এবং ডিজিটাল লেনদেনের মধ্যে ঘটে। ডেটার মধ্যে প্যাটার্ন খুঁজে বের করা (যেমন একই কোম্পানির বারবার চুক্তি পাওয়া বা জাল ডিএনএ ডেটার ব্যবহার) আজকের সবচেয়ে বড় সংবাদগুলোকে চালিত করছে।

 

১৭. আপনি কি এআই-ভিত্তিক সরঞ্জামগুলোকে সাংবাদিকতার জন্য হুমকি নাকি সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করেন?

এটি একটি দারুণ সুযোগ। আমি ব্যক্তিগতভাবে বড় প্রতিবেদন কাঠামোবদ্ধ করতে, ডেটা বিশ্লেষণ করতে এবং এমনকি ভিজ্যুয়াল (ছবি তৈরি) করার জন্যও এআই ব্যবহার করি। এটি এমন একটি সরঞ্জাম যা একজন সাংবাদিকের সক্ষমতা বাড়ায়, কিন্তু এটি কখনোই মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদন এবং মানবিক সহানুভূতির বিকল্প হতে পারে না।

 

১৮. মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদনকে উৎসাহিত করতে গণমাধ্যম সংস্থাগুলোর কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত?

প্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত সাংবাদিকদের সময় ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা। অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এক বা দুই দিনের কাজ নয়। একজন প্রতিবেদকের সপ্তাহ বা মাস ধরে কোনো একটি বিষয় নিয়ে কাজ করার স্বাধীনতা এবং আইনি সুরক্ষা থাকা উচিত।

 

১৯. এই পুরস্কারের পর আপনার পরবর্তী লক্ষ্য বা প্রকল্প কী?

আমি সিস্টেমের মধ্যে বিদ্যমান ‘ডিজিটাল এবং প্রযুক্তিগত সিন্ডিকেট’গুলোর গভীরে অনুসন্ধান করছি। যেমন ই-বর্জ্য পাচার এবং এআই স্টার্টআপের নামে সরকারি অনুদান সংক্রান্ত কেলেঙ্কারি। আমি সবসময় সেইসব অন্ধকার কোণগুলোতে আলো ফেলতে চেষ্টা করি যা সাধারণত অলক্ষিত থেকে যায়।

 

২০. সাংবাদিকতা নিয়ে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের জন্য আপনার তিনটি প্রধান পরামর্শ কী হবে?

প্রথমত, প্রচুর পড়ুন এবং প্রচুর ভ্রমণ করুন। দ্বিতীয়ত, প্রশ্ন করতে কখনো ভয় পাবেন না। তৃতীয়ত, ডেস্কে বসে কাজ না করে মাঠে বেরিয়ে পড়ুন; আসল খবর রাস্তার মাঝে এবং ফাইলের মধ্যে পাওয়া যায়।

 

২১. আপনার কি মনে হয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের ওপর যথেষ্ট মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে?

তত্ত্বগুলো ভালোভাবে পড়ানো হচ্ছে, কিন্তু যে বিষয়গুলো কর্মক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি দরকারি—যেমন আরটিআই দাখিল করা, ব্যালেন্স শিট পড়া, বা ডার্ক ওয়েব/ডেটা স্ক্র্যাপিং—সেগুলোকে পাঠ্যক্রমে আরও বেশি ব্যবহারিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।

 

২২. বর্তমানে আঞ্চলিক ভাষার সাংবাদিকতার ভবিষ্যৎ কেমন?

আঞ্চলিক ভাষাগুলোই ভারতের প্রকৃত শক্তি। সবচেয়ে বড় প্রভাব সেখানেই পড়ে, যেখানে সাধারণ মানুষ আপনার বার্তা বুঝতে পারে। দিল্লিতে নীতি তৈরি হতে পারে, কিন্তু তার প্রভাব কেবল আঞ্চলিক স্তরেই দেখা যায়, তাই ভাষাগত সাংবাদিকতার ভবিষ্যৎ খুবই উজ্জ্বল ও শক্তিশালী।

रईस अहमद 'लाली'

Add comment

Most popular